আমরা বিশ্বাস করি খেলাধুলার আনন্দ আরও গভীর হয় যখন আপনি নিজের পছন্দের দলের পাশে দাঁড়াতে পারেন। abe77 সেই অনুভূতিকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য কাজ করে।
abe77 কেন তৈরি হয়েছে এবং আমরা কোথায় যেতে চাই
বাংলাদেশের প্রতিটি কোণের মানুষের কাছে একটি নিরাপদ, স্বচ্ছ এবং আনন্দদায়ক স্পোর্টস বেটিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া। শহর বা গ্রাম — সবার জন্য সমান সুযোগ।
দক্ষিণ এশিয়ার সেরা বাংলা-ভাষী স্পোর্টস বেটিং প্ল্যাটফর্ম হওয়া, যেখানে প্রযুক্তি ও মানবিক সেবা একসাথে চলে। আমরা চাই প্রতিটি ব্যবহারকারী নিজেকে মূল্যবান মনে করুক।
স্বচ্ছতা, ন্যায্যতা এবং দায়িত্বশীলতা — এই তিনটি নীতি abe77-এর প্রতিটি সিদ্ধান্তের ভিত্তি। আমরা কখনো ব্যবহারকারীর আস্থার সাথে আপোষ করি না।
আমাদের প্ল্যাটফর্মের বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলো যা আমাদের আলাদা করে
abe77-এ প্রতিটি লেনদেন ও ব্যক্তিগত তথ্য SSL এনক্রিপশন দিয়ে সুরক্ষিত। আপনার অ্যাকাউন্টে টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন চালু করার সুবিধাও আছে যাতে কেউ অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করতে না পারে।
অন্য অনেক আন্তর্জাতিক সাইটে বাংলা সাপোর্ট নেই বা অনুবাদ যন্ত্রে করা। abe77-এ ইন্টারফেস, সাপোর্ট চ্যাট, সাহায্য কেন্দ্র — সব কিছু সহজ বাংলায় লেখা যাতে যেকোনো বয়সের মানুষ বুঝতে পারেন।
bKash, Nagad, Rocket — বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবাগুলো abe77-এ সাপোর্ট করে। ডিপোজিট বা উইথড্রল করতে ব্যাংকে না গিয়ে ঘরে বসেই সব কিছু করা যায়।
ম্যাচ চলাকালীন প্রতি মুহূর্তে আপডেট হওয়া অডস এবং নতুন বাজার — abe77-এর লাইভ বেটিং ড্যাশবোর্ড এমনভাবে তৈরি যাতে কোনো সুযোগ মিস না হয়। ৩জি নেটওয়ার্কেও স্মুথলি চলে।
নতুন সদস্যদের জন্য ওয়েলকাম বোনাস থেকে শুরু করে প্রতিদিনের ক্যাশব্যাক, রিলোড বোনাস এবং বিশেষ টুর্নামেন্ট প্রমোশন — abe77 নিয়মিত ব্যবহারকারীদের জন্য সারা বছর অফার রাখে।
রাত তিনটায় কোনো সমস্যা হলেও abe77-এর সাপোর্ট টিম থাকে। লাইভ চ্যাট, ইমেইল এবং হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বাংলায় সরাসরি কথা বলুন এবং দ্রুত সমাধান পান।
২০২০ সালে যখন abe77 যাত্রা শুরু করে, তখন বাংলাদেশে অনলাইন স্পোর্টস বেটিংয়ের বাজার খুব একটা সংগঠিত ছিল না। বেশিরভাগ মানুষ বিদেশি সাইট ব্যবহার করতেন যেগুলোতে বাংলা ভাষার সমর্থন ছিল না, পেমেন্টে সমস্যা হতো, আর সাপোর্টে যোগাযোগ করলে ইংরেজিতে উত্তর আসত। abe77-এর প্রতিষ্ঠাতারা মনে করলেন এই পরিস্থিতি বদলানো দরকার।
শুরুটা ছিল ছোট — একটা ছোট টিম, সীমিত বাজেট, কিন্তু বড় স্বপ্ন। লক্ষ্য ছিল এমন একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যেটা বাংলাদেশের মানুষের জন্যই বানানো, তাদের ভাষায়, তাদের পেমেন্ট পদ্ধতিতে এবং তাদের পছন্দের খেলায়। ক্রিকেট, ফুটবল, কাবাডি — যে খেলাগুলো বাংলাদেশিরা ভালোবাসেন সেগুলো সামনে রেখে পুরো প্ল্যাটফর্ম ডিজাইন করা হয়েছিল।
abe77-কে অনেকে জিজ্ঞেস করেন — আপনারা কি আসলেই বাংলাদেশের? উত্তর হলো হ্যাঁ। আমাদের গ্রাহক সেবা দলের বেশিরভাগ সদস্যই বাংলাদেশি, যারা বাংলায় কথা বলেন এবং বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও খেলার প্রতি আগ্রহী। যখন বাংলাদেশ বনাম ভারত ক্রিকেট ম্যাচ হয়, আমাদের টিমও সমান উত্তেজনায় থাকে।
এই দেশীয় পরিচয়ের কারণেই abe77 বোঝে যে রমজান মাসে ব্যবহারকারীদের স্বভাব কেমন থাকে, BPL মৌসুমে কতটা উৎসাহ থাকে, আর ঈদের সময় প্রমোশন কেমন হওয়া উচিত। এই ছোট ছোট বিষয়গুলোই আমাদেরকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগীদের থেকে আলাদা করে।
abe77 প্রতি বছর তার প্রযুক্তি অবকাঠামোতে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করে। সার্ভার আপটাইম, লোডিং স্পিড, লাইভ অডস আপডেটের গতি — এই সব কিছুতে আমরা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রাখার চেষ্টা করি। বাংলাদেশের ইন্টারনেট পরিকাঠামো বিবেচনায় রেখে প্ল্যাটফর্মটি কম ব্যান্ডউইথেও দ্রুত কাজ করার জন্য অপ্টিমাইজ করা হয়েছে।
মোবাইল ব্যবহারকারীদের কথা বিশেষভাবে মাথায় রাখা হয়েছে, কারণ বাংলাদেশে বেশিরভাগ মানুষ স্মার্টফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। abe77-এর ওয়েবসাইট যেকোনো স্ক্রিন সাইজে সুন্দরভাবে কাজ করে এবং অ্যাপের মতো অভিজ্ঞতা দেয়।
abe77 বিশ্বাস করে বেটিং বিনোদনের একটি মাধ্যম, আসক্তির নয়। তাই আমরা দায়িত্বশীল বেটিংকে শুধু নিয়মের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখি না, বরং এটাকে আমাদের সংস্কৃতির অংশ করে নিয়েছি।
আমরা জানি কিছু মানুষের জন্য বেটিং সমস্যার কারণ হতে পারে। সেজন্য abe77-এর দায়িত্বশীল খেলা বিভাগে সবসময় সাহায্যের তথ্য পাওয়া যায়। আমাদের কাছে লাভের চেয়ে ব্যবহারকারীর সুস্থতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
abe77 এখানেই থামতে চায় না। আগামী বছরগুলোতে আমরা আরও বেশি স্থানীয় ইভেন্ট কভার করার পরিকল্পনা করছি, বিশেষ করে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ, জাতীয় কাবাডি লিগ এবং সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের মতো দেশীয় টুর্নামেন্টে। এছাড়া আরও উন্নত মোবাইল অ্যাপ এবং নতুন পেমেন্ট অপশন যুক্ত করার কাজ চলছে।
আমাদের লক্ষ্য শুধু ব্যবসা বড় করা নয়, বরং বাংলাদেশের স্পোর্টস কমিউনিটিকে একটি ভরসাযোগ্য ডিজিটাল মাধ্যম দেওয়া যেখানে মানুষ নিশ্চিন্তে তাদের পছন্দের খেলার সাথে যুক্ত থাকতে পারবেন।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক
একটি ছোট টিম নিয়ে abe77 যাত্রা শুরু করে। প্রথম দিকে শুধু ক্রিকেট ও ফুটবলে বেটিং সুবিধা ছিল। বাংলাদেশি পেমেন্ট পদ্ধতি সংযুক্ত করাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
রিয়েল-টাইম অডস আপডেট ও ইন-প্লে বেটিং ফিচার চালু হয়। ব্যবহারকারী সংখ্যা দ্রুত বাড়তে শুরু করে। bKash ইন্টিগ্রেশন সম্পন্ন হয়।
স্থানীয় খেলাধুলাকে সম্মান জানিয়ে কাবাডি বেটিং চালু করা হয়। একই বছর ই-স্পোর্টস বিভাগ খোলা হয় তরুণ প্রজন্মের কথা ভেবে।
নিবন্ধিত ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়িয়ে যায়। Nagad ও Rocket পেমেন্ট সংযুক্ত হয়। গ্রাহক সেবা টিম ২৪/৭ সাপোর্টে উন্নীত হয়।
সম্পূর্ণ নতুন মোবাইল-ফার্স্ট ডিজাইন চালু হয়। পার্লে বেটিং, বল-বাই-বল ক্রিকেট বেটিং এবং উন্নত পরিসংখ্যান বিভাগ যোগ হয়।
abe77 এখন বাংলাদেশের অন্যতম বিশ্বস্ত স্পোর্টস বেটিং প্ল্যাটফর্ম। নতুন ফিচার ও আরও বেশি স্থানীয় ইভেন্ট কভারেজের পরিকল্পনা চলছে।
যে নীতিগুলো abe77-কে পরিচালিত করে
প্রতিটি প্রতিশ্রুতি পালন করা আমাদের অভ্যাস। ব্যবহারকারীর আস্থাই আমাদের সবচেয়ে বড় পুরস্কার।
সকল ব্যবহারকারীর সাথে সমান আচরণ। অডস থেকে পেমেন্ট — সব কিছুতে স্বচ্ছতা।
তথ্য সুরক্ষা ও আর্থিক নিরাপত্তায় কোনো ছাড় দেওয়া হয় না। সর্বোচ্চ মান বজায় থাকে।
বেটিং যেন সমস্যার কারণ না হয়, সেজন্য আমরা সবসময় সচেতন থাকি এবং ব্যবহারকারীকে সাহায্য করি।
প্রযুক্তি ও ব্যবহারকারী অভিজ্ঞতায় ক্রমাগত উন্নতির চেষ্টা করি। থেমে থাকা আমাদের স্বভাব নয়।
আমরা শুধু একটি প্ল্যাটফর্ম নই, একটি কমিউনিটি। প্রতিটি ব্যবহারকারীকে মানুষ হিসেবে সম্মান করি।
যাঁরা abe77-কে প্রতিদিন এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন
১০ বছরের বেশি ফিনটেক ও গেমিং ইন্ডাস্ট্রির অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের ডিজিটাল বিপ্লবে বিশ্বাসী এবং abe77-এর মূল স্বপ্নদ্রষ্টা।
বুয়েট থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক। লাইভ বেটিং ইঞ্জিন ও পেমেন্ট গেটওয়ে ইন্টিগ্রেশনের মূল কারিগর।
ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেন। abe77-এর সহজ ও আকর্ষণীয় ইন্টারফেসের পেছনে তাঁর অবদান।
৫০+ সদস্যের সাপোর্ট টিম পরিচালনা করেন। ব্যবহারকারীর সমস্যা দ্রুত সমাধান করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য।
৫ লক্ষেরও বেশি বাংলাদেশি ইতোমধ্যে abe77 বেছে নিয়েছেন। আপনিও শুরু করুন — নিবন্ধন বিনামূল্যে এবং মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যাপার।